লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক| জিলহজ্জ মাসের আমল।
Eid-ul-Azha
 

কুরবাণীর ফযীলত

রাসূলে করীম (স:) ইরশাদ করেন, কুরবানীর দিনসমূহে কুরবাণী ছাড়া অন্য কোন জিনিস আল্লাহর নিকট অধিক পছন্দনীয় নয়।

কুরবানীর দিনসমূহে ফরয আমলের পর কুরবাণী অন্যান্য সমস্ত আমলের তুলনায় অধিক উত্তম। কুরবাণীর পশু জবেহ করার সময় যে রক্ত ঝরে, তা যমীনে পড়ার আগেই আল্লাহর দরবারে কবুল হয়ে যায়। তাই অত্যন্ত আনন্দ এবং মন খুলে কুরবাণী করা উচিত। -মিশকাত: ১২৯

তাকবীরে তাশরীক

জিলহজ্জ মাসের নয় তারিখে ফজরের নামায থেকে শুরু করে তের তারিখ আসরের নামায পর্যন্ত প্রত্যেক ফরয নামাযের পর পুরুষগণ (একা হোক বা জামাতে) আওয়াযের সাথে এবং মহিলাগণ চুপে চুপে এই তাকবীরটি একবার পড়া ওয়াজিব।

উচ্চরণঃ আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার লা-ইলাহা ইলল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

নামাযের সালামের পর সাথে সাথে এই তাকবীর পড়তে হয়। যদি ইমাম সাহেব ভুলে যান, তা হলে মুক্তাদীরা স্মরণ করিয়ে দিবেন। ঈদুল আযহার নামায আদায়ের পরও এই তাকবীর পড়বে। মুসাফির অবস্থায়ও ফরয নামায আদায়ের পর এই তাকবীর অবশ্যই পড়বে।

আরাফার দিনের রোযা

জিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখে রোযা রাখাও বড় সওয়াবের কাজ। হাদীস শরীফে আছে, যে ব্যক্তি হজ্জের চাঁদের ৯ তারিখে রোযা রাখবে তার বিগত এবং আগামী বছরের সকল গুনাহ মাফ হয়ে যাবে।

৯ জিলহজ্জ ১৪৩৪ তারিখ = ১৫ অক্টোবর ২০১৩ মঙ্গলবার

ঈদ, ১০ জিলহজ্জ ১৪৩৪ তারিখ = ১৬ অক্টোবর ২০১৩ বুধবার

১৩ জিলহজ্জ ১৪৩৪ তারিখ = ১৯ অক্টোবর ২০১৩ শনিবার

    2 Responses to "লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক| জিলহজ্জ মাসের আমল।"

  1. Md. Shahaj says:

    Nice Post brother. Please publish more like post.

Leave a Reply